৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:২৩:১৪
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের হাতে দেশের সর্বোচ্চ বিজ্ঞান ও প্রকৌশল সম্মাননা তুলে দিয়েছেন। ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে ইলন মাস্ক, সত্য নাদেলা ও জেনসেন হুয়াংয়ের মতো প্রযুক্তি জগতের দিকপালদের এই মর্যাদাপূর্ণ পদকে ভূষিত করা হয়।
বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্পেসএক্স এবং টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক, গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা সের্গেই ব্রিন, এনভিডার সিইও জেনসেন হুয়াং এবং এএমডির প্রধান লিসা সু-কে ‘ন্যাশনাল মেডেল অব সায়েন্স’ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী সত্য নাদেলা এবং ডেল টেকনোলজির মাইকেল ডেল পেয়েছেন ‘ন্যাশনাল মেডেল অব টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন’।
পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, এই ব্যক্তিত্বরা আমেরিকার জন্য একটি চমৎকার ভবিষ্যৎ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছেন। তাদের অবদানের কারণেই যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সবসময় শীর্ষস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হবে। বিশেষভাবে স্পেসএক্স প্রধান ইলন মাস্ককে আধুনিক যুগের থমাস এডিসন হিসেবে আখ্যায়িত করেন ট্রাম্প।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক বিতরণের মধ্য দিয়ে সিলিকন ভ্যালির শীর্ষ প্রযুক্তি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্টতাই প্রকাশ পেয়েছে। অনুষ্ঠানে সম্মাননা পাওয়া ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে জন্মগ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে চারজন আবার ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইনডেক্স অনুযায়ী বিশ্বের শীর্ষ দশ ধনী ব্যক্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
পদক বিতরণের একই দিনে ভাইস প্রেসিডেন্ট জে.ডি. ভ্যান্স মাইক্রোসফটের বিদেশি কর্মী নির্ভরতার সমালোচনা করেন এবং বলেন, আমেরিকান কর্মীদের অগ্রাধিকার না দেওয়া পর্যন্ত বিদেশি কর্মীদের গ্রিন কার্ড স্পনসর করার ক্ষেত্রে কোম্পানিটির ওপর বিধিনিষেধ থাকবে।
তা সত্ত্বেও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে শীর্ষ প্রযুক্তি সিইওদের সম্পর্ক বেশ মজবুত রয়েছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ক্ষেত্রে মার্কিন নেতৃত্ব বজায় রাখা এবং নিয়মনীতি শিথিল করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এআই খাতের এই বিপ্লবে শীর্ষ প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
















