জাতীয়

রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন

২০ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৮:২৪

রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন
ছবি: পিএমও

স্বৈরাচারের ফেরার পথ উন্মুক্ত করা হলে তা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে চরম বিশ্বাসঘাতকতা বা গাদ্দারি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, বিরোধিতা কেবল বিরোধিতার খাতিরে না হয়ে গঠনমূলক হওয়া উচিত।

প্রভাতী বার্তাকে গুগল পছন্দে যুক্ত করুন!

সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ ও নবায়নকৃত ওসমানী উদ্যানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে এবং অন্য রাজনৈতিক দলগুলো বিরোধী দলের আসনে বসেছে। সংসদের মূল কাজ হলো দেশের স্বার্থ ও জনকল্যাণে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন এবং তা বাস্তবায়ন করা। বিরোধিতার নামে পুরনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিহার করে জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত যোদ্ধাদের পাশে দাঁড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের ফলেই আজ অনেকেই রাজনৈতিক পরিচিতি পেয়েছেন, তাই তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করা সবার নৈতিক দায়িত্ব। শহীদদের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক এবং জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রাজধানীর ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানের আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি প্রকৃতি ও গাছপালা সংরক্ষণে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এছাড়া সরকারি হাসপাতাল ও আবাসিক এলাকায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে তিনি বলেন, একটি সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর জাতি গঠনে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার কোনো বিকল্প নেই।

তথ্য অনুযায়ী, প্রায় এক একর জায়গাজুড়ে নির্মিত ৯০ ফুট উঁচু এই জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে লেজার কাটিংয়ের মাধ্যমে ৮৩৪ জন শহীদের নাম খোদাই করা হয়েছে। এর সামনে স্থাপন করা হয়েছে ২০টি প্রতীকী সমাধিফলক। একই সঙ্গে ২৩ একর আয়তনের আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যানেরও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আবদুল মঈন খানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা। অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধন করেন এবং সেখানে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।

প্রভাতী বার্তার সর্বশেষ খবর পেতে
Google News অনুসরণ করুন
Follow ★

আরও খবর:

বিবিধ